স্ত্রী ছাড়া যারসাথে স*হবাস করা যায়...
স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? এমন নানা বিতর্কিত বিষয় অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এবিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট বিধান রয়েছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত টপিকটি নিয়ে আমরা কথা বলি কয়েকজন ইসলামী স্কলারের সঙ্গে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলেমদের বিশ্লেষণ ও মতামত নিচে তুলে ধরা হলো:
ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ?
★ইসলামের মৌলিক বিধান:
ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
★কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা:
“আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে-
শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…” সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬)
এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবলমাত্র স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
★কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি)
মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি ব্যতীত সকল নারী। এর বাইরে পরকীয়া সম্পর্কের নারী যে কেউই হোক না কেনো- সেটি হারাম।
★বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ ও বিতর্ক:
ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
★অনেকেই প্রশ্ন করেন- ইসলামে দাসীর সাথে সহবাস করা বৈধ করা হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে দাসী কারা? বর্তমানে কি দাস প্রথা বিদ্যমান আছে?
উত্তর খুব সহজ- শরীআত সম্মতভাবে দারুল কুফর বা দারুল হারবের বিরুদ্ধে যু্দ্ধ করে বিজয় লাভ করার পর যুদ্ধে যে সকল নারী ও শিশু বন্দি হয় সে সকল নারী-পুরুষদের দাস-দাসী বলা হয়। বনু কুরায়যার যুদ্ধে সা‘দের ফায়সালায় পুরুষদের হত্যা করা হয়েছিল এবং মহিলা ও শিশুদের বন্দি করা হয়েছিল (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৩৪০)। ইসলামে দাস-দাসীর হুকুম এখনো বিদ্যমান রয়েছে; রহিত হয়নি। তবে বর্তমানে দাসদাসী নেই। ভবিষ্যতে যদি মুসলিমদের সাথে অমুসলিমদের যুদ্ধ হয় এবং এ যুদ্ধে মুসলিমরা বিজয়ী, তাহলে তারা তাদের মহিলা ও শিশুদের দাস-দাসীতে রূপান্তরিত করতে পারবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। তবে তারা তাদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে অথবা তাদের অধীনস্থ দাসীদের ক্ষেত্রে নিন্দিত হবে না’ (মুমিনুন, ২৩/৫-৬)। উল্লেখ্য যে, কোনো স্বাধীন ব্যক্তিকে ক্রয় করা বা অন্য কোনো মাধ্যমে দাস বানানো বৈধ নয়। কাজের মহিলারা দাসী নয়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment