স্ত্রী ছাড়া যাদের সাথে সহবাস করা জায়েয

 


যৌন সম্পর্ক স্থাপন বা সহবাস করার ক্ষেত্রে সাধারণত দুটি ক্ষেত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়:

১. বৈধ স্ত্রী: ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহের (নিকাহ) মাধ্যমে যে নারী স্ত্রীর মর্যাদা পেয়েছেন, কেবল তার সাথেই সহবাস করা জায়েয [০.৫.১, ০.৫.১৩]।

২. অধীনস্থ দাসী (মা-মালাকাত আইমানুকুম): প্রাচীনকালে এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগে যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত বা বৈধভাবে মালিকানাধীন দাসীদের (যাদের কুরআনের ভাষায় 'মা-মালাকাত আইমানুকুম' বলা হয়েছে) সাথে সহবাসের অনুমতি ছিল [০.৫.২, ০.৫.৯]।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

বর্তমান প্রেক্ষাপট: আধুনিক বিশ্বে আন্তর্জাতিক আইন এবং ইসলামী আলেমদের ঐকমত্য অনুযায়ী দাস প্রথা বর্তমানে বিলুপ্ত। তাই বর্তমানে স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে সহবাস করার কোনো বৈধ সুযোগ ইসলামে নেই [০.৫.৩, ০.৫.৭]।

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক: ইসলামে বিবাহ বহির্ভূত যেকোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক (যেমন: প্রেমিকা, লিভ-ইন পার্টনার বা দেহব্যবসায়ী) সম্পূর্ণ হারাম বা নিষিদ্ধ এবং এটিকে 'জিনা' বা ব্যভিচার হিসেবে গণ্য করা হয় [০.৫.১০, ০.৫.১৩]। 

ইসলামি আইন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আপনি উইকিপিডিয়ার উপপত্নী প্রথা অথবা HadithBD এর মতো নির্ভরযোগ্য উৎসগুলো দেখতে পারেন।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ

বীর্যপাত আটকানোর ৫টা সুপার হট টেকনিক জেনে নিন...

ব্রেকিং নিউজ : শুক্রবার ঈদ উদযাপনের ঘো'ষণা ..