গাজীপুরে ৫ জনকে গলা কেটে হ/ত্যা, জানা গেল খুনির পরিচয়..
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের ৫ জনকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াকে (৪০) শনাক্ত করা হয়েছে [১.১.৬, ১.২.৪, ১.৩.৮]। পেশায় রেন্ট-এ-কার চালক ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরি গোপীনাথপুর গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে [১.১.৬, ১.২.৫]।
হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ঘটনার বিবরণ: শুক্রবার (৮ মে, ২০২৬) দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে [১.২.৪, ১.৪.৬]। ফোরকান মিয়া নিজেই তার ভাই এবং শ্যালককে ফোন করে এই খুনের কথা জানান এবং এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন [১.১.৬, ১.৩.৬, ১.৩.৮]।
নিহতদের পরিচয়: নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩০), তাদের তিন সন্তান মিম (১৫), মারিয়া/হাবিবা (৮), ফারিদ/ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮/২২) [১.১.৬, ১.২.৪, ১.৩.৩, ১.৩.৮]।
খুনির ফেলে যাওয়া চিরকুট: ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফোরকানের লেখা একটি টাইপ করা চিরকুট বা অভিযোগপত্র উদ্ধার করেছে [১.১.৭, ১.৪.৭]। সেখানে তিনি তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণা (১০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ), শারীরিক নির্যাতন এবং স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন [১.১.৬, ১.২.১০, ১.৩.৬]।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: তদন্তে জানা গেছে, ফোরকান তার শ্যালক রসুলকে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গোপালগঞ্জ থেকে ডেকে এনেছিলেন [১.২.৯, ১.৩.৬, ১.৪.১১]। ঘটনাস্থল থেকে মাদক সেবনের আলামত এবং রক্তমাখা ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ [১.১.১০, ১.৪.১০]।
আইনি পদক্ষেপ: নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা বাদী হয়ে ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে কাপাসিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন [১.৪.৬]। পুলিশ ফোরকানকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে [১.৪.১, ১.৪.৮]।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে [১.১.৭, ১.৩.৭]।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment