সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌ*ন চাহিদা পূরণ করবে! এক মিনিট সময় নিয়ে লেখা...
শারী/রিক চাহিদার কোন বয়স নেই!
সন্তান বড় হলে মা-বাবার করণীয় — ইসলামের দৃষ্টিতে
সন্তান ছোট থাকলে অনেক বিষয় বুঝে না। কিন্তু ছেলে-মেয়ে বড় হওয়ার পর মা-বাবার উচিত আরও বেশি সতর্ক হওয়া। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে — লজ্জা, পর্দা ও শালীনতা ঈমানের অংশ।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
> “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের অধীনস্থরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি, তারা যেন তিন সময় তোমাদের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করে…” — Al-Quran
এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট বুঝিয়েছেন যে, পরিবারের ব্যক্তিগত সময় ও গো*পনীয়তা রক্ষা করা জরুরি।
মা-বাবা কীভাবে সতর্ক থাকবেন?
১. আলাদা রুমের ব্যবস্থা করা
ছেলে সন্তান বড় হলে তাকে আলাদা ঘুমানোর ব্যবস্থা করা উত্তম। এতে তার মানসিক ও চারিত্রিক নিরাপত্তা বজায় থাকে।
২. দাম্পত্য সম্পর্ক গোপন রাখা
স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা হালাল, কিন্তু অন্তরঙ্গ বিষয় সন্তানদের সামনে প্রকাশ করা উচিত নয়।
৩. শালীন পোশাক পরা
বাড়ির মধ্যেও মা-বাবার উচিত পর্দা ও শালীনতা বজায় রাখা, বিশেষ করে সন্তান বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছালে।
৪. ইসলামী শিক্ষা দেওয়া
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই লজ্জাশীলতা, পর্দা ও পবিত্রতার শিক্ষা দিতে হবে।
যৌ*ন চাহিদা পূরণ সম্পর্কে ইসলামের শিক্ষা
ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ইবাদতের অংশ। তবে তা হতে হবে:
গো*পনে,
শালীনভাবে,
সন্তানদের দৃষ্টির আড়ালে,
এবং এমন সময়ে যাতে কেউ বিব্রত না হয়।
রাসূল ﷺ লজ্জাশীলতাকে ঈমানের শাখা বলেছেন।
> “লজ্জা ঈমানের একটি অংশ।” — Sahih al-Bukhari
গুরুত্বপূর্ণ কথা
আজ অনেক পরিবারে এই বিষয়গুলো অবহেলা করা হয়। ফলে সন্তান অল্প বয়সে ভুল জিনিসের দিকে আকৃষ্ট হয়ে যায়। তাই মা-বাবার উচিত নিজেদের আচরণে সতর্ক থাকা এবং সন্তানকে পবিত্র পরিবেশ দেওয়া।
আল্লাহ আমাদের পরিবারকে পবিত্র ও নিরাপদ রাখুন। আমীন।
জানিনা আপনি শেয়ার করবেন কিনা, তবে আমি বলব আপনি শেয়ার করুন, কারণ আপনার একটি শেয়ারে অনেকে সঠিক জানবে!
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment