সামান্য ১০ টাকার জন্য একটা জীবন শেষ..

 


গাজীপুরের একটা ছোট গ্রামে সে একটা ছোট্ট চায়ের দোকান চালাত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চা বানাত, বিস্কুট দিত, সিগারেট বিক্রি করত। যা আয় হতো, তা দিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মা আর ছোট বোনের সংসার চালাত।




রহিম কখনো কারো সাথে ঝগড়া করত না। গ্রামের সবাই বলত, “রহিম ছেলেটা সোনার মতো।” সে প্রতিদিন বলত, “আগে বোনের বিয়ে দিব, বাবা-মাকে ভালো করে রাখব, তারপর নিজের কথা ভাবব।”




সেদিন বিকেল ৫টা। দোকানে একজন লোক এসে চা খেল। চা খেয়ে সে ১০ টাকা দিতে গিয়ে বলল, “ভাই, আমার কাছে ১০ টাকা কম আছে। কাল দিয়ে দিব।”




রহিম হেসে বলল, “ঠিক আছে ভাই, কাল দিলেই হবে। কোনো সমস্যা নেই।”




লোকটা চলে গেল। কিন্তু ১০ মিনিট পর হঠাৎ ফিরে এসে চিৎকার শুরু করল,




“তুই আমাকে ১০ টাকা দিতে বলিস? আমাকে ছোট করিস? আমি কি ভিক্ষুক নাকি?”




রহিম অবাক হয়ে বলল, “ভাই, আমি তো কিছু বলিনি। আপনি নিজেই বললেন কাল দিবেন।”




লোকটা আরও রেগে গেল। চারপাশ থেকে লোক জড়ো হতে লাগল। কয়েকজন মাতাল ধরনের ছেলে লোকটার পক্ষ নিল। তারা রহিমকে ধাক্কা দিতে শুরু করল। রহিম হাত জোড় করে বলল,




“ভাইয়েরা, আমি কোনো অপমান করিনি। ১০ টাকার জন্য আমি কী করব? আপনারা চলে যান।”




কিন্তু তারা শুনল না। একজন তার গলা চেপে ধরল। অন্যজন লাথি মারল। রহিম মাটিতে পড়ে গেল। তারা তাকে পিটাতে লাগল — মাথায়, বুকে, পেটে। রহিম কাতরাতে কাতরাতে বলছিল,




“আমাকে মেরে ফেলবেন না… আমার বাবা-মা আছে… আমার বোন আছে… আমি তো কিছু করিনি…”




প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলল এই নির্মম পিটুনি। তারপর তারা পালিয়ে গেল।Noton kobor


লাইভ ভিডিও


নিচের খবরের সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে এখনই বাটনে ক্লিক করুন!


খবরের ভিডিওটি দেখুন 📽️


Top News


Home


সামান্য ১০ টাকার জন্য একটা জীবন শেষ!


NotunkhoborApril 16, 20260


 সামান্য ১০ টাকার জন্য একটা জীবন শেষ!




তার নাম রহিম। বয়স মাত্র ২৮।








গাজীপুরের একটা ছোট গ্রামে সে একটা ছোট্ট চায়ের দোকান চালাত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চা বানাত, বিস্কুট দিত, সিগারেট বিক্রি করত। যা আয় হতো, তা দিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মা আর ছোট বোনের সংসার চালাত।




রহিম কখনো কারো সাথে ঝগড়া করত না। গ্রামের সবাই বলত, “রহিম ছেলেটা সোনার মতো।” সে প্রতিদিন বলত, “আগে বোনের বিয়ে দিব, বাবা-মাকে ভালো করে রাখব, তারপর নিজের কথা ভাবব।”




সেদিন বিকেল ৫টা। দোকানে একজন লোক এসে চা খেল। চা খেয়ে সে ১০ টাকা দিতে গিয়ে বলল, “ভাই, আমার কাছে ১০ টাকা কম আছে। কাল দিয়ে দিব

রহিম রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিল। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত গড়াচ্ছিল। চোখ আধখোলা।




প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। ডাক্তার বললেন, “মাথায় গুরুতর আঘাত। অবস্থা খুব খারাপ।”




রাত ১১:৪৫ মিনিটে রহিমের শেষ নিঃশ্বাস পড়ল।




সামান্য ১০ টাকার জন্য… একটা তরুণের পুরো জীবন শেষ হয়ে গেল।




(পার্ট ১ শেষ)




এই পর্যন্ত পড়ে যদি তোমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠে থাকে, চোখ ভিজে গিয়ে থাকে, তাহলে রহিমের বাবা-মা আর বোনের কান্না, তাদের শূন্যতা আর এই ঘটনা থেকে আমরা কী শিখতে পারি — সেটা জানতে পার্ট ২ অবশ্যই পড়ো।




কমেন্ট বক্সে লিংক দিয়ে দিয়েছি। ওয়েবসাইটে গিয়ে পার্ট ২ পড়ো। শেষটা এত গভীর আর হার্ট-টাচিং যে তোমার মন ভেঙে যাবে, আর একই সাথে জীবন সম্পর্কে অনে

ক কিছু ভাবতে বাধ্য হবে।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ

ব্রেকিং নিউজ : শুক্রবার ঈদ উদযাপনের ঘো'ষণা ..

বীর্যপাত আটকানোর ৫টা সুপার হট টেকনিক জেনে নিন...