যে ৩ সময় জিনা করার পরেও কোন গুনাহ হবে না
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, জিনা বা ব্যভিচার একটি কবিরা গুনাহ এবং এটি সব অবস্থাতেই হারাম। পবিত্র কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "তোমরা জিনার কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ" (সূরা বনি ইসরাঈল: ৩২)।
তবে বিশেষ ৩টি পরিস্থিতিতে মানুষের ওপর জিনার সরাসরি ‘পাপ’ বা ‘গুনাহ’ লিখা হয় না বলে ওলামায়ে কেরামগণ উল্লেখ করেছেন:
১. জোরপূর্বক বা বাধ্য করা হলে (ইকराह): যদি কোনো নারীকে প্রাণনাশের বা গুরুতর ক্ষতির ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়, তবে ওই নারী গুনাহগার হবেন না।
২. অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে: কোনো শিশু বা অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ যদি এমন কাজে লিপ্ত হয়, তবে তার আমলনামায় গুনাহ লিখা হয় না, কারণ তাদের ওপর শরিয়তের বিধান কার্যকর হয়নি।
৩. মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বা পাগল হলে: ব্যক্তির যদি হিতাহিত জ্ঞান না থাকে এবং সে যদি পাগলামি অবস্থায় এ কাজ করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
অনেকে ভুলবশত মনে করেন 'স্বপ্নদোষ' বা 'ভুল করে কারো সাথে সহবাস' করা হয়তো এই তালিকার অংশ। কিন্তু ইসলামি আইন অনুযায়ী, বিয়ের বাইরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সর্বাবস্থায় নিষিদ্ধ। উপরোক্ত তিনটি ক্ষেত্র কেবল তখনই প্রযোজ্য যখন মানুষের নিজের ইচ্ছাশক্তি বা বিবেক কাজ করে না।
আপনি কি এই বিষয়ে ইসলামি আইনের কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা দলিল জানতে চান?
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment