স্ত্রীর বু’কের দুধ পান করে ফেললে কি স্বামী-স্ত্রীর তা’লাক হয়ে যায়? ইসলাম যা বলছে..

 


স্ত্রীর দুধ পান করলে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্কের কোনো ক্ষতি হয় না এবং এতে তালাক হয় না [১.১.১, ১.২.১, ১.৩.৫]। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, বিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বয়সের (সাধারণত দুই বা আড়াই বছর) মধ্যে দুধ পান করা শর্ত, যা একজন প্রাপ্তবয়স্ক স্বামীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় [১.২.২, ১.৩.৮, ১.৪.৩]। 

তবে বিষয়টি নিয়ে আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু মতামতের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন:

বিয়ে অটুট থাকে: স্ত্রীর দুধ পান করলে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয় না বা স্ত্রী 'দুধ-মা' হয়ে যান না [১.১.১, ১.১.৫, ১.৪.৭]।

গুনাহের কাজ: ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রীর দুধ পান করাকে অধিকাংশ আলেম হারাম বা নাজায়েজ বলেছেন, কারণ এটি শিশুর নির্ধারিত খাবার [১.২.১, ১.২.৩, ১.৩.১০]।

সতর্কতা: ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে অসাবধানতাবশত সামান্য দুধ মুখে চলে গেলে তা গিলে না ফেলে সাথে সাথে থুতু দিয়ে ফেলে দেওয়া উচিত [১.১.৩, ১.২.৮, ১.৩.৪]।

তওবা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করে থাকেন, তবে তার উচিত মহান আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার প্রতিজ্ঞা করা [১.২.৩, ১.৩.৫, ১.৩.১১]। 

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আপনি ইসলামি আইনবিষয়ক বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য পোর্টাল যেমন দারুল ইফতা দেওবন্দ বা স্থানীয় বিশেষজ্ঞ আলেমদের ফতোয়া দেখতে পারেন।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ

ব্রেকিং নিউজ : শুক্রবার ঈদ উদযাপনের ঘো'ষণা ..

বীর্যপাত আটকানোর ৫টা সুপার হট টেকনিক জেনে নিন...