নারীর শরীর দেখে উ/ত্তেজিত হওয়ার আগে একবার..
নারীর শরীর দেখে উত্তেজিত হওয়ার আগে একবার নিজের মায়ের কথা স্মরণ করুন।
নারীর বুক কোনো ভোগের বস্তু নয়—এটি আল্লাহর দেওয়া এক মহান আমানত, মাতৃত্বের এক পবিত্র নিদর্শন।
একজন মুমিন পুরুষের দৃষ্টি শুধু শরীরের সৌন্দর্যে আটকে থাকে না; সে নারীর ভেতরের ত্যাগ, মমতা আর ভালোবাসাকে দেখতে শেখে।
ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—নারীকে সম্মান করতে, মায়ের মর্যাদা বুঝতে এবং দৃষ্টিকে সংযত রাখতে।
একদিন আমিও ভাবতাম, নারীর সৌন্দর্য শুধু বাহ্যিক আকর্ষণে। কিন্তু জীবন আমাকে শিখিয়েছে, একজন মায়ের শুকনো বুকেও লুকিয়ে থাকে সন্তানের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
এক ক্ষুধার্ত শিশুকে যখন মায়ের বুকের সাথে লেগে থাকতে দেখি, তখন বুঝি—
এ বুক কামনার নয়, এ বুক সন্তানের নিরাপত্তা।
এ বুক লালসার নয়, এ বুক জান্নাতের সুবাস।
ইসলামে মায়ের মর্যাদা কত মহান, তা রাসূল ﷺ-এর এই হাদিসেই স্পষ্ট—
“জান্নাত মায়ের পদতলে।”
— মুহাম্মদ
একজন মা নিজের শরীরের রক্ত পানি করে সন্তানকে বড় করেন। রাত জেগে কাঁদেন, না খেয়ে থাকেন, তবুও সন্তানের মুখে হাসি দেখতে চান।
তাই কোনো নারীর দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকানোর আগে মনে রাখা উচিত—তিনি কারো মা, কারো বোন, কারো মেয়ে।
আল-কুরআন-এ আল্লাহ তাআলা পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ পবিত্র দৃষ্টি হৃদয়কে পবিত্র করে, আর অপবিত্র দৃষ্টি মানুষকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়।
হে ভাই,
নারীর শরীর দেখে উত্তেজিত হওয়ার আগে একবার নিজের মায়ের কথা স্মরণ করুন।
আপনিও একদিন মায়ের বুকের দুধ খেয়েই বড় হয়েছেন।
যে বুক আপনাকে বাঁচিয়েছে, সেই বুককে অসম্মান করার অধিকার কোনো পুরুষের নেই।
নারীর আসল সৌন্দর্য তার শরীরে নয়—
তার ঈমান, লজ্জাশীলতা, মমতা, ত্যাগ আর মাতৃত্বে।
আল্লাহ পৃথিবীর সব মাকে হেফাজত করুন।
কোনো মা যেন সন্তানের ক্ষুধার কান্না দেখে অসহায় না হন।
আর আমাদের দৃষ্টিকে পবিত্র ও হৃদয়কে মানবিক করে দিন। আমিন।
জানিনা আপনি শেয়ার করবেন কিনা তবে আমি বলব আপনি শেয়ার করুন, হয়তো আপনার একটি শেয়ারে অনেকের উপকার হবে!

Comments
Post a Comment