অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ!

 অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ!




কুষ্টিয়ায় বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বন্দ্বে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। ফলে শুক্রবার (১৭এপ্রিল) সকাল থেকেই অভ্যন্তরীণ সব রুটে কুষ্টিয়ার মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।






এতে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর, কুষ্টিয়া-প্রাগপুর রুটসহ খুলনা-যশোর, রাজবাড়ী-ফরিদপুর-বরিশাল, রাজশাহী-পাবনা-সিরাজগঞ্জসহ অন্যান্য সকল রুটে মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির কোনও বাস ছেড়ে যায়নি। শুধুমাত্র কুষ্টিয়া হতে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাসগুলো চলাচল করছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই সকল রুটের গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীরা।








এ বিষয়ে মুঠোফোনে কুষ্টিয়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুল হক বলেন, বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের বাসের মতোই কুষ্টিয়া-খুলনা-যশোর রুটে আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের বাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অথচ মালিক গ্রুপতাদের কমিটমেন্ট বাস্তবায়ন করেননি।








মালিক গ্রুপ শ্রমিকদের দাবি না মানায় আজ (শুক্রবার) সকাল থেকে সকল রুটে বাস মিনিবাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। দাবি না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচি প্রত্যাহার হবে না বলে শ্রমিক ইউনিয়ন সিন্ধান্ত নিয়েছে। এতে কুষ্টিয়ার কোনও বাস ছেড়ে যায়নি।








কুষ্টিয়া জেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, এক সপ্তাহ আগে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাতাদের দুটি দাবির কথা জানায়। একটি হলো-পরিবহন চালানোর জন্য মালিকরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পায়, তাদেরও একই সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।








দ্বিতীয়তটি হলো- 'শ্রমিক সংগঠনের মালিকানার একটি বাস কুষ্টিয়া- খুলনা রুটে চলাচলের অনুমোদন দিতে হবে। শ্রমিকদের এসব দাবি পূরণ না করায় তারা আজ সকাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। শুধুমাত্র কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী রুটে বাস চলছে।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ

ব্রেকিং নিউজ : শুক্রবার ঈদ উদযাপনের ঘো'ষণা ..

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর