আ..ত্মহ..ত্যা করা সেই পুলিশের স্ত্রীও পুলিশ, নেপথ্যে যা জানা যাচ্ছে
খুলনায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস (৩৮)-এর আত্মহত্যার নেপথ্যে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ ও মানসিক অশান্তির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে [১.১.১, ১.৪.১]। এই ঘটনার প্রধান কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
ঘটনার বিবরণ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার ভোর আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটে খুলনার সোনাডাঙ্গায় রেলওয়ে জেলা পুলিশ লাইনসের অস্ত্রাগারে দায়িত্ব পালনকালে সম্রাট নিজের ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন [১.১.১, ১.৪.২]। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার আগে তাকে দীর্ঘক্ষণ চিন্তিত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায় [১.৪.১, ১.৪.১০]।
স্ত্রীর পরিচয়: সম্রাটের স্ত্রী পূজা বিশ্বাস (বা পূজা দাস) নিজেও একজন পুলিশ সদস্য, যিনি সাতক্ষীরা জেলা পুলিশে কর্মরত আছেন [১.২.১, ১.২.৩]। ২০১৮ সালে পুলিশে যোগদানের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং প্রায় ছয় মাস আগে তারা পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন [১.২.৩]।
পারিবারিক কলহ: তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্রাট ও তার স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল [১.৪.১০]। সম্রাটের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর দেওয়া মানসিক যন্ত্রণার চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন [১.৪.৫]। আত্মহত্যার কয়েক ঘণ্টা আগেও মোবাইলে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছিল বলে জানা গেছে [১.২.৩]।
তদন্তের অবস্থা: খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান জানান যে সম্রাট কর্মজীবনে বেশ দক্ষ ছিলেন এবং আগে কখনো সহকর্মীদের কাছে কোনো সমস্যার কথা জানাননি [১.১.১, ১.৩.৩]। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে [১.৪.১০, ১.৪.১২]।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment